ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাময়িক বরখাস্ত ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাত শিক্ষকের বিষয়টি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করলেও, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য— এর পেছনে একাধিক সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে, যার মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিরোধিতার অভিযোগও অন্যতম।

শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে অধ্যাপক সাদেকা হালিমসহ তিনজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, আর চারজনকে সরানো হয়েছে তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে। এই শিক্ষকদের অধিকাংশই দাবি করেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তারা শিক্ষার্থীদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন, তবে নীল দলের সমর্থক হওয়ার কারণেই তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

অন্যদিকে সাদা দলের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিধিমালা অনুসরণ করেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, নীল দল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত শিক্ষকদের ফোরাম হিসেবে পরিচিত, আর সাদা দলের ব্যানারে থাকা শিক্ষকরা মূলত বিএনপি-সমর্থক বলে পরিচিত।

বিতর্ক আরও ব্যাপক আকার নিয়েছে নীল দলের অভিযোগে— তাদের দাবি অনুযায়ী, শুধু এই সাতজনই নন, জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা ও ফ্যাসিবাদের সমর্থনের অভিযোগে নীল দলের মোট ২৩১ জন শিক্ষককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

📰

আপনার এলাকার সংবাদ প্রকাশ করতে চান?

এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, ঘটনা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরুন সবার সামনে। ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আপনার সংবাদ পাঠান গণদিগন্তের কাছে।

✉ সংবাদ পাঠান
📢

আপনার ব্যবসার প্রচার হোক সবার কাছে!

আপনার প্রতিষ্ঠান, পণ্য কিংবা সেবার প্রচারে বেছে নিন গণদিগন্ত। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে পৌঁছে যান অসংখ্য পাঠকের কাছে।

📣 বিজ্ঞাপন দিন
🌐

প্রতিদিনের খবর জানতে সঙ্গে থাকুন গণদিগন্তের!

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্থানীয় খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন গণদিগন্ত।

📰 গণদিগন্ত পড়ুন | গ্রাহক হোন

এই ঘটনাপ্রবাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ, রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আইনি ভিত্তি— এই তিনটি প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।