গণদিগন্ত | সারাদেশ

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ও অনিয়ম ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সিলেট জেলা প্রশাসন। আগামী সোমবার থেকে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। এ সময় টিকিটে উল্লেখ করা যাত্রীর নামের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। তথ্যে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে ট্রেনে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে না।

শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দৈনিক সমকাল।

জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেনের টিকিট নিয়ে অনিয়ম প্রতিরোধে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনের সময় তিনি চারজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টিকিটসংক্রান্ত বিভিন্ন অসংগতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনে কয়েকজন যাত্রীর টিকিটের সঙ্গে এনআইডিতে থাকা নামের মিল পাওয়া যায়নি বলে জানান জেলা প্রশাসক। নতুন ব্যবস্থায় টিকিটে উল্লিখিত নাম এবং যাত্রীর পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই করে দেখা হবে। ফলে অন্যের নামে কেনা টিকিট ব্যবহার করে ভ্রমণের সুযোগ সীমিত হবে বলে আশা করছে জেলা প্রশাসন।

টিকিট বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত

📰

আপনার এলাকার সংবাদ প্রকাশ করতে চান?

এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, ঘটনা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরুন সবার সামনে। ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আপনার সংবাদ পাঠান গণদিগন্তের কাছে।

✉ সংবাদ পাঠান
📢

আপনার ব্যবসার প্রচার হোক সবার কাছে!

আপনার প্রতিষ্ঠান, পণ্য কিংবা সেবার প্রচারে বেছে নিন গণদিগন্ত। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে পৌঁছে যান অসংখ্য পাঠকের কাছে।

📣 বিজ্ঞাপন দিন
🌐

প্রতিদিনের খবর জানতে সঙ্গে থাকুন গণদিগন্তের!

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্থানীয় খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন গণদিগন্ত।

📰 গণদিগন্ত পড়ুন | গ্রাহক হোন

সম্প্রতি অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ছাড়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। টিকিট কালোবাজারি ও সম্ভাব্য অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন।

গত বুধবার মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও স্টেশনে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, টিকিট যাচাইয়ে কঠোরতা এবং প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হলে টিকিট কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সঙ্গে প্রকৃত যাত্রীরা যাতে সহজে টিকিট পেতে পারেন, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।