শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহে কাল থেকেই উন্নতির আশ্বাস ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
ডেস্ক রিপোর্ট :
শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকেই জ্বালানি সরবরাহে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে বলে ব্যবসায়ী নেতাদের জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে শিল্প খাতের চলমান সংকট ও নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যে চাহিদা রয়েছে, তা পূরণে সরবরাহ ব্যবস্থা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আগামীকাল থেকেই জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।
আবুল কালামের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে মিল, কারখানা ও অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরতে পারবে। এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও গতি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি ছাড়াও প্রশাসনিক জটিলতা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান উল্লেখযোগ্য।
এ ছাড়া এফবিসিসিআই, আইসিসিবি, এমসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ দেশের বিভিন্ন খাতের প্রায় ২৪টি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।
ব্যবসায়ী নেতারা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী দ্রুত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলে শিল্প উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

