গণ দিগন্ত ডেস্ক :
বাংলাদেশের উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় লবণাক্ততা মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করেছে। বিশেষ করে নিরাপদ পানির সংকট মোকাবিলায় অনেক এলাকার মানুষ বছরজুড়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে মাটির পাত্রসহ বিভিন্ন পাত্রে সংরক্ষণ করে রাখেন। তবে দীর্ঘসময় পানি জমিয়ে রাখায় সেখানে এডিস মশার প্রজননের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো পাত্র বা স্থানে ৪৮ ঘণ্টার বেশি পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশা ডিম পাড়তে পারে এবং লার্ভা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

এ কারণে সংরক্ষিত পানি প্রতি তিনদিন পরপর ফেলে দিয়ে পাত্র পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে দীর্ঘসময় পানি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন হলে যথাযথভাবে ক্লোরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করলে পানিতে থাকা মশার লার্ভা ধ্বংস করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডা. জাকী বলেন, স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, বাংলাদেশে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। তার মতে, কোথায় এডিস মশার প্রজনন হচ্ছে, কী পরিমাণে হচ্ছে এবং কোন এলাকায় কী ধরনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন—তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

📰

আপনার এলাকার সংবাদ প্রকাশ করতে চান?

এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, ঘটনা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরুন সবার সামনে। ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আপনার সংবাদ পাঠান গণদিগন্তের কাছে।

✉ সংবাদ পাঠান
📢

আপনার ব্যবসার প্রচার হোক সবার কাছে!

আপনার প্রতিষ্ঠান, পণ্য কিংবা সেবার প্রচারে বেছে নিন গণদিগন্ত। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে পৌঁছে যান অসংখ্য পাঠকের কাছে।

📣 বিজ্ঞাপন দিন
🌐

প্রতিদিনের খবর জানতে সঙ্গে থাকুন গণদিগন্তের!

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্থানীয় খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন গণদিগন্ত।

📰 গণদিগন্ত পড়ুন | গ্রাহক হোন

তিনি বলেন, সাধারণভাবে মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম পরিচালনা করলেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কারণ এডিস মশার আচরণ ও প্রজনন পদ্ধতি অন্যান্য মশার তুলনায় ভিন্ন। তাই এডিস মশাকে লক্ষ্য করে প্রমাণভিত্তিক ও নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ফল পেতে হলে শুধু ওষুধ ছিটানোর ওপর নির্ভর না করে সম্ভাব্য প্রজননস্থল শনাক্ত, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম একসঙ্গে জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের পাত্রগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা প্রয়োজন।