পাবনা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবনার মালঞ্চী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘নৌকা ভ্রমণ-২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৯ আগস্ট) চারটি বাস ও কয়েকটি নৌকায় করে দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে চলনবিলের দিলপাশা, উধুনিয়া ও চরইমারি এলাকায় এ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়।

নৌকা ভ্রমণকে ঘিরে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। দিনব্যাপী এ সফরে চলনবিলের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সাংগঠনিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হয়।

সফরে মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাবনা সদর উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মো. ইব্রাহিম খলিল আইনুল।

সফর পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মালঞ্চী ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মঈনুদ্দীন খান। খাদ্য বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মো. রুহুল আমিন। নৌকা ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. আব্দুর রহমান। শৃঙ্খলা বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন প্রচার সেক্রেটারি মো. মনিরুল ইসলাম এবং বাস ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ইউনিয়ন ওলামা বিভাগের হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম জিহাদী।

এছাড়া সফরের বিভিন্ন বিভাগ ও কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ আবু মুসা, হাফেজ শামিম আহমেদ, হাফেজ সোলাইমান হোসাইন, মো. মাঈনুল ইসলাম, মো. মনিরুজ্জামান মজনু, মো. হাসান, মো. লুতফর রহমান, মো. হাবিবুর রহমান হাবিব ও মো. জাহাঙ্গীরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা।

চারটি বাস ও কয়েকটি নৌকায় দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সফর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। নৌপথে চলনবিলের বিস্তীর্ণ জলরাশি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় ও আনন্দঘন সময় কাটান।

সফরে মালঞ্চী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি, সেক্রেটারি ও দায়িত্বশীল নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ইউনিয়ন জামায়াতের পক্ষ থেকে সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এ ধরনের ভ্রাতৃত্বমূলক আয়োজন নেতা-কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি এবং সাংগঠনিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী এ ধরনের সামাজিক ও ভ্রাতৃত্বমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।