ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়নে যৌক্তিক দাবি আদায়ে সহযোদ্ধা হয়ে থাকব: ডা. শফিকুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলনে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সহযোদ্ধা হিসেবে থাকবেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক কলেজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামো, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা এবং চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব চিকিৎসাপদ্ধতি মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রেখে আসছে। তাই ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও মানসম্মত করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্টদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। এসব বিষয়ে কোনো যৌক্তিক দাবি থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো যৌক্তিক দাবি আদায়ে আপনাদের সঙ্গে সহযোদ্ধা হিসেবে থাকবো।”
পরিদর্শনকালে তিনি কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানে যৌক্তিক ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন স্বীকৃত চিকিৎসাপদ্ধতির সমন্বিত বিকাশ প্রয়োজন। ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়ন হলে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার পরিধিও আরও বিস্তৃত হবে।
কলেজ পরিদর্শন শেষে তিনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।


