আব্দুর রহমান নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁয় ১২ জন মাদরাসাছাত্র এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে—সম্প্রতি এমন একটি দাবি সামাজিক ও গণমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল একটি টকশোতে দাবি করেন, নওগাঁর একটি মাদরাসার ১২ শিক্ষার্থী এইচআইভি পজিটিভ এবং তারা মাদরাসার হোস্টেলে থাকে। তবে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ১২ জন মাদরাসাছাত্রের এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার কোনো তথ্য স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে নেই। তিনি জানান, গত জুলাইয়ে ১২ জন ব্যক্তি রক্তদানের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়েছিলেন এবং তাদের এইচআইভি স্ক্রিনিং পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। ফলে ওই ১২ ব্যক্তিকে মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং এইচআইভি পজিটিভ হিসেবে উপস্থাপনের দাবির সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। নওগাঁয় বর্তমানে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও, কোনো তথ্যেই ২০২৬ সালে নতুন করে কোনো মাদরাসার ১২ শিক্ষার্থী এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এইচআইভির মতো সংবেদনশীল স্বাস্থ্য বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা হলে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সামাজিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই এ ধরনের দাবি প্রচারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।