মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর মান্দায় আলোচিত মামুনুর রশিদ মামুন (৩৮) হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ইসমাইল হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাদেবপুর থানা পুলিশের সহায়তায় উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারের নির্মাণাধীন সেতু এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইসমাইল হোসেন মান্দা উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের শামুকখোল গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহ শাহের ছেলে। তিনি নিহত মামুনুর রশিদ মামুনের শ্যালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামুনকে কুপিয়ে জখম করার পর থেকেই ইসমাইল হোসেন বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার সকালে নিহতের স্বজনেরা জানতে পারেন, ইসমাইল মহাদেবপুর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তার অবস্থান শনাক্ত করেন তারা। বিষয়টি মান্দা থানা পুলিশকে জানানো হলে মহাদেবপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামুনকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় করা মামলাটি আদালতের মাধ্যমে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ইসমাইল হোসেনকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হবে।

📰

আপনার এলাকার সংবাদ প্রকাশ করতে চান?

এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, ঘটনা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরুন সবার সামনে। ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আপনার সংবাদ পাঠান গণদিগন্তের কাছে।

✉ সংবাদ পাঠান
📢

আপনার ব্যবসার প্রচার হোক সবার কাছে!

আপনার প্রতিষ্ঠান, পণ্য কিংবা সেবার প্রচারে বেছে নিন গণদিগন্ত। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে পৌঁছে যান অসংখ্য পাঠকের কাছে।

📣 বিজ্ঞাপন দিন
🌐

প্রতিদিনের খবর জানতে সঙ্গে থাকুন গণদিগন্তের!

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্থানীয় খবর জানতে নিয়মিত পড়ুন গণদিগন্ত।

📰 গণদিগন্ত পড়ুন | গ্রাহক হোন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, গত শনিবার (১৫ আগস্ট) ফজরের নামাজের সময় মান্দা উপজেলার শামুকখোল গ্রামের একটি মসজিদের ভেতরে মামুনুর রশিদ মামুনকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত মামুনের স্ত্রী নেহেরা খাতুন বাদী হয়ে তার ভাই ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামুনের মৃত্যুর পর আদালতের মাধ্যমে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।