ঢাবিতে জব ফেয়ারে ৪৩০ চাকরির সুযোগ, চীনের ৪০ কোম্পানির অংশগ্রহণ
ঢাবির টিএসসিতে মেগা জব ফেয়ার, ৪৩০ চাকরির সুযোগ
গণ দিগন্ত ডেস্ক: তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে মেগা জব ফেয়ার। ডাকসুর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসংস্থান মেলায় চীনের ৪০টি স্বনামধন্য কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। মেলায় বিভিন্ন পদে সরাসরি ৪৩০টি চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে নতুন সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জব ফেয়ারে অংশ নেওয়া বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। বিভিন্ন পদের যোগ্যতা, দায়িত্ব, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও ক্যারিয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রার্থীরা সরাসরি তথ্য জানতে পারবেন। পাশাপাশি আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, চীনের ৪০টি স্বনামধন্য কোম্পানি এ জব ফেয়ারে অংশ নিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে মোট ৪৩০টি চাকরির সুযোগ রয়েছে। ফলে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য এটি সরাসরি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 📅 তারিখ: আগস্ট ২০২৬ সময়:সকাল ৯টা স্থান: টিএসসি চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা,চাকরির সুযোগ: ৪৩০টি পদ,অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান: চীনের ৪০টি স্বনামধন্য কোম্পানি
আগ্রহী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ে টিএসসি চত্বরে উপস্থিত হয়ে জব ফেয়ারে অংশ নিতে পারবেন। সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, চাকরির সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তরুণদের শুধু চাকরির জন্য প্রস্তুত করা নয়, বরং আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের সঙ্গে তাদের পরিচিত করানো এবং দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক এ ধরনের কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ তরুণদের বেকারত্ব কমাতে এবং শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় সহায়তা করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন উদ্যোগ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


