মসজিদের ভিতরে দুষ্কৃতিকারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আক্রমণে এড. নাজমুল হুদা সহ ৭ গুরুতর আহত।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলার দেবীপুর খন্দকার বাড়ি জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজের শেষে মসজিদের ভিতরেই এডভোকেট নাজমুল হুদা, তার ছেলে মিনহাজুল হুদা রাহি,ভাইয়ের পুত্র জুনায়েদ ও মঞ্জু এবং তার ভাই জয়নাল আবেদীনকে হত্যার হত্যার উদ্দেশ্যে ২০ থেকে ২৫ জন দুষ্কৃতিকারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী ধারালো দা, লোহার রড, ধারালো চোরাই,বাশের লাঠি সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আক্রমণ করলে ধারালো দায়ের আঘাতে মাথা ফেটে গেলে, লোহার রডের আঘাতে দান সিনা ভেঙ্গে গেলে এবং গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করলে অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা ঘটনাস্থলেই মসজিদের ভিতরেই গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। আক্রমণকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এডভোকেট নাজমুল হুদা আর পুত্র মিনহাজুল হুদাই রাহির নাক কেটে মারাত্মক রক্তাক্ত আহত হয়। একই সাথে তার ভাই জয়নাল আবেদীন,ভাইয়ের পুত্র মঞ্জু ও জুনায়েদ সহ তার পরিবারের সকল সদস্যরা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি দেলোয়ার হোসেন খন্দকার আক্রমণের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়।
এডভোকেট নাজমুল হুদাকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় এবং তার পরিবারের অন্যান্য আহত সদস্যদের আহত অবস্থায় স্থানীয় মসজিদের মুসল্লিরা ও কতক সাক্ষী শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়।
এডভোকেট নাজমুল হুদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার জরুরী ভিত্তিতে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কিংবা কুমিল্লা মেডিকেলের রেফার করে।
ভুক্তভোগীদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেবীপুর মাজার সংলগ্ন জামে মসজিদে আজ বাদ জুমা এডভোকেট নাজমুল হুদা ও তার পরিবারের সদস্যসহ মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিদের হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণকারী দুষ্কৃতিকারীদের তালিকাঃ-
১)গোলাম মোর্শেদ রুবেল(৩৮), পিতা মৃত আবুল হাসেম,দেবীপুর মধ্য খন্দকার বাড়ি।
২) মোঃ আলমগীর হোসেন সুমন(৩৫), পিতা মৃত আমির হোসেন ভূঁইয়া, সাং-দেবীপুর নতুন ভূইয়া বাড়ি।
৩)মোঃ শামীম(৪০), পিতা দেলোয়ার হোসেন, সাং- দেবীপুর ব্রামণ বাড়ি আচ্ছা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৪) মোঃ দুলাল(৩৫),
৫) মোঃ সুজন (৩০),
উভয় পিতা মৃত ইব্রাহিম খলিল বাচ্চু,উভয় সাং- দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি।
৬)মোঃ সেলিম ভূঁইয়া(৫০), পিতা মৃত আমির হোসেন ভূঁইয়া, সাং-দেবীপুর নতুন ভূইয়া বাড়ি।
৭) আসাদ(২৬),
৮) আরিফ (২২),
উভয় পিতা আরমান, উভয় সাং- দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি।
৯) মোঃ বেলাল(৩০),
১০) মোঃ হেলাল(৩৫), উভয় পিতা শাহজাহান খলিফা , উভয় সাং- দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি।
১১) মোঃ মেহেদী(৩২),পিতা মৃত অরুণ মিয়া, সাং- দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি।
১২) শামীম (২২),পিতা মোঃ সেলিম,সা-দেবীপুর নতুন ভুইয়া বাড়ি,
১৩)মোঃ মাহমুদ(২৪) পিতা মহসিন ভূঁইয়া, সাং-দেবীপুর নতুন ভুইয়া বাড়ি
১৪) মোঃ আকবর হোসেন ওরফে মাদক সম্রাট আকবর(৪০),পিতা মৃত সফিউল্লাহ দেবীপুর মধ্য খন্দকার বাড়ি।
১৫) মোঃ ইউসুফ(২০),পিতা মোঃ সুবাহান, দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি,
১৬) মোঃ রবিন(২২), পিতা মোঃ এমরান হোসেন, সাং-দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি।
১৭)মোঃ মহসিন(৪৫),পিতা মৃত আমির হোসেন ভূঁইয়া, দেবীপুর নতুন ভূঁইয়া বাড়ি।
১৮) সাইফুল ইসলাম রনি(৫৫), পিতা মৃত নুরুল ইসলাম, সাং-দেবীপুর মীর বাড়ি।
১৯)আমির হোসেন(৫৫),পিতা মৃত
২০)সাইফুল ইসলাম (৩৬),পিতা মোঃ আমির হোসেন
উভয় সাং- দেবীপুর পশ্চিম খন্দকার বাড়ি
উক্ত তথ্য ভুক্তভোগীরা সহ মসজিদের ইমাম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রদান করেন।
উক্ত বিষয়ে এডভোকেট নাজমুল হুদা রাষ্ট্র ও সরকার যন্ত্র প্রশাসনের নিকট ন্যায় বিচার দাবি করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দাবি করেন। চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা ও তার পরিবারের সদস্যরা আইনের আশ্রয় গ্রহণ করবেন মর্মে জানান।
উক্ত বিষয়ে প্রতিপক্ষদের সাথে যোগাযোগ করলে তাহারা উক্ত ঘটনা অস্বীকার করে।
বর্তমানে দেবীপুর মাজার সংলগ্ন জামে মসজিদ এলাকায় আশেপাশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতেছে।


